অন্যান্য

প্রশ্নঃ তাহাজ্জুদ বা রাতের সালাতের বিধিবিধান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই।

উত্তর: ফরজের পরে তাহাজ্জুদের সালাত আল্লাহ তায়ালার নিকট সবচেয়ে প্রিয়। এটি নিরাপদে জান্নাত লাভের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

 তাহাজ্জুদ সালাতে সময়: অর্ধ রাতের পরে। রাতের শেষ তৃতীয়াংশে পড়া উত্তম। তবে সফরের কারনে বা অসুস্থ থাকার ফলে ঘুম থেকে না জাগার সম্ভাবনা থাকলে ইশা সালাতের পর, বিতর আদায় করবে এবং এরপর বসে ২ রাকাত নফল সালাত পরে নিলেই সারারাত নফল আদায়ের সাওয়াব পাওয়া যাবে, যা সে রাতের জন্য যথেষ্ট হবে।

 

রাকাত সংখ্যা: সর্ব নিম্ন দু রাকআত। আর সর্বোচ্চ ৮ রাকায়াত পড়া উত্তম। তবে আরও বেশী পড়া জায়েজ আছে। এরপরে বিতর নামায পড়া।

 

 পড়ার নিয়ম: দু রাকআত দু রাকআত করে যথা সম্ভব লম্বা কিরাআত, লম্বা রুকু ও সেজদা সহকারে একান্ত নিবিষ্ট মনে পড়া।

 

পড়ার স্থান: ঘরে পড়া উত্তম। তবে মসজিদে পড়াও জায়েজ আছে।

 

কিরাআত: উঁচু বা নিচু উভয় আওয়াজে পড়া জায়েজ আছে। তবে কারো কষ্টের কারণ হলে চুপিচুপি পড়া কর্তব্য।

 

ছুটে গেলে: তাহাজ্জুদে অভ্যস্ত ব্যক্তি কোন কারণ বশত: রাতে পড়তে না পারলে সূর্য উঠার পর ও যোহরের সময় হওয়ার পূর্বে তা পড়ে নিতে পারে।

 

 জামায়াতে পড়া: রামাযান ছাড়া অন্য সময় মাঝে-মধ্যে জামায়াতে পড়া জায়েজ আছে। তবে নিয়মিতভাবে নয়। রামাযানে তারাবীহ জামাআতে পড়া সুন্নত।

 

 নিয়মিত পড়া: নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়াআল্লাহ তায়ালার নিকট অত্যন্ত পছন্দনীয় আমল।

 

 

আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে তার পছন্দীয় আমল গুলো সম্পাদন করে তাঁর প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভূক্ত করে নিন।

আমীন।

 

✒✒✒✒✒✒
গ্রন্থনায়: আব্দুল্লাহিল হাদী
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব।

 

➥ লিংকটি কপি অথবা প্রিন্ট করে শেয়ার করুন:
পুরোটা দেখুন

এই বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য লিখা

Back to top button