হারাম ও কবিরা গুনাহ

ধূমপায়ীদেরকে উপদেশ দেওয়া এবং তাদের প্রতিরোধ করার উপায়

প্রশ্ন : এ প্রশ্নটি করা হয়েছিল আল্লামা ইবনে বায রহমাতুল্লাহ আলাইহিকে: আমার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু সবসময় ধূমপান করে, আমি তাকে বহু নসিহত করেছি কিন্তু সে শুনেনি, আর যদি কোনো ফাতাওয়া বা আলেমদের কোনো নসিহত এনে দেই তাহলে সে তা পড়ে না বরং সে বলে যে, আমি যদি এগুলো পড়ি তাহলে তো আমার উপর দলীল প্রমাণিত হয়ে যাবে, তখন তা না মানলে আমি পাপী হব। তার এ উক্তির পরিপেক্ষিতে আমাদের জন্য তার ব্যাপারে আপনার উপদেশ কি?

উত্তর: আলহামদুলিল্লাহ্‌।

তার উচিত হলো নসিহত গ্রহণ করে ধূমপান ত্যাগ করা, কারণ তা হারাম। এতে দ্বীনি, শারীরিক এবং আর্থিক ক্ষতি রয়েছে। কখনো কখনো তা নেশাগ্রস্ত করে, কাজেই তার উচিত এগুলো ছেড়ে দিয়ে আল্লাহর নিকট তাওবা করা। ধূমপান এবং অন্যান্য জিনিস হারামের ব্যাপারে যাদের সন্দেহ রয়েছে তা পরিস্কার করার জন্য তাদের উচিত হলো কোনো আলেমকে জিজ্ঞাসা করা।

যেমন আল্লাহ বলেন:

﴿ فَسۡ َٔلُوٓاْ أَهۡلَ ٱلذِّكۡرِ إِن كُنتُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ ﴾ [الانبياء: ٧]

“তোমরা যদি না জান তবে জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস কর।” [সূরা আম্বিয়া: ৭]। কোনো কথা বা কাজ হারাম ফাতাওয়া দেওয়ার ভয়ে কোনোক্রমেই প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকা ঠিক নয়; কেননা (উল্লেখিত) আয়াতে তা আল্লাহর নির্দেশের বিপরীত এবং জ্ঞান শিক্ষা ও দ্বীন সম্পর্কে জানা এবং এ থেকে বিরত থাকার সমালোচনা সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে যা সাব্যস্ত রয়েছে তার বিরোধী।’ (ফাতাওয়া ইসলামিয়া ৩/ ৪৭৬)

আল্লাহ্‌ সবচেয়ে ভালো জানেন

সংকলন: আমের সালেহ আলাওয়ী নাজী
সূত্র: ইসলামহাউজ।

➥ লিংকটি কপি অথবা প্রিন্ট করে শেয়ার করুন:
পুরোটা দেখুন

মোঃ মামুনূর রশিদ (বকুল)

❝ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ছাড়া কোন হক ইলাহ নেই,এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার বান্দা ও রাসূল।❞ যে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেয়, সৎকর্ম করে এবং বলে, আমি একজন মুসলিম, তার কথা অপেক্ষা উত্তম কথা আর কার?" আমি একজন তালিবুল ইলম। আমি নিজেকে ভুলের উর্ধ্বে মনে করি না এবং আমিই হক্ব বাকি সবাই বাতিল এমনও ভাবিনা। অতএব, আমার দ্বারা ভুলত্রুটি হলে নাসীহা প্রদানের জন্যে অনুরোধ রইল।

এই বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য লিখা

Back to top button