ফাতাওয়া আরকানুল ইসলামহজ্জ ও উমরা

প্রশ্ন: (৪৫৯) জনৈক নারীর কথা হচ্ছে, আমি রামদান মাসে উমরা করার ইচ্ছা পোষণ করেছি। কিন্তু আমার সাথে থাকছে আমার সহদোর বোন, তার স্বামী ও আমার মা। এ উমরায় যাওয়া কি আমার জন্য জায়েয হবে?

উত্তর: এদের সাথে উমরায় যাওয়া আপনার জন্য জায়েয হবেনা; কেননা বোনের স্বামী আপনার মাহরাম নয়। ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি শুনেছি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুতবায় বলেন,

«لَا يَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِامْرَأَةٍ وَلَا تُسَافِرَنَّ امْرَأَةٌ إِلَّا وَمَعَهَا مَحْرَمٌ فَقَامَ رَجُلٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ اكْتُتِبْتُ فِي غَزْوَةِ كَذَا وَكَذَا وَخَرَجَتِ امْرَأَتِي حَاجَّةً قَالَ اذْهَبْ فَحُجَّ مَعَ امْرَأَتِكَ».

“কোনো পুরুষ যেন কোনো নারীর সাথে নির্জন না হয়। মাহরাম ছাড়া কোনো নারী যেন সফর না করে।” তখন এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল আমার স্ত্রী হজ আদায় করার জন্য বের হয়ে গেছে। আর আমি উমুক উমুক যুদ্ধের জন্য নাম লিখিয়েছি? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তুমি চলে যাও এবং তোমার স্ত্রীর সাথে হজ পালন কর।”[1] নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছে কোনো ব্যাখ্যা চাইলেন না তোমার স্ত্রীর সাথে কি অন্য কোনো নারী আছে না নেই? সে কি যুবতী না বৃদ্ধা? রাস্তায় সে কি নিরাপদ না নিরাপদ নয়?প্রশ্নকারী এ নারী মাহরাম না থাকার কারণে যদি উমরায় না যায়, তবে তার কোনো গুনাহ্ হবে না। যদিও ইতোপূর্বে সে কখনো উমরা না করে থাকে। কেননা হজ-উমরা ফরয হওয়ার অন্যতম শর্ত হচ্ছে নারীর মাহরাম থাকা।

[1] সহীহ বুখারী অধ্যায়: শিকারের জরিমানা, অনুচ্ছেদ: নারীর হজ; সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: হজ, অনুচ্ছেদ: হজের সফরে নারীর সাথে মাহরাম থাকা।

 

 

সূত্র: ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম।
লেখক: শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমীন (রহঃ)।

➥ লিংকটি কপি অথবা প্রিন্ট করে শেয়ার করুন:
পুরোটা দেখুন

এই বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য লিখা

Back to top button